Home / দর্শনীয় স্থান / যমুনা সেতু

যমুনা সেতু

Bangabandhu_Bridge

তদারক সংস্থা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ লিমিটেড
নকশা রেলপথ সেতু
মোট দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিমি
প্রস্থ ১৮.৫ মিটার
দীর্ঘতম স্প্যান ১০০ মিটার
উন্মেষিত জুন 1998
স্থানাঙ্ক ২৪°২৩′৫৫″ উত্তর ৮৯°৪৬′৪২″ পূর্ব

 

যমুনা সেতু তথা যমুনা বহুমুখী সেতু বাংলাদেশের যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত একটি সড়ক ও রেল সেতু। এর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার। এটি বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম সেতু। ১৯৯৮ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। ইহা যমুনা নাদীর পূর্ব তীরের ভূঞাপুর (ভুয়াপুর) এবং পশ্চিম তীরের সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করে। এইটি বিশ্বে ১১তম এবং দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ দীর্ঘতম সেতু। যমুনা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি নদীর মধ্যে বৃহত্তর এবং প্রবাহিত জল আয়তানিক পরিমাপের দিক থেকে বিশ্বে পঞ্চম বৃহত্তম। সেতুটি বাংলাদেশের পূর্ব এবং পশ্চিম অংশের মধ্যে একটি কৌশলগত সংযোগ প্রতিষ্ঠিত করে। এইটি অত্র অঞ্চলের জনগণের জন্য বহুবিধ সুবিধা বয়ে আনে, বিশেষত অভ্যান্তরীন পন্য এবং যাত্রী পরিবহন ব্যবস্হা দ্রত করে । পরবর্তিতে এই সেতুর নামকরণ করা হয় বঙ্গবন্ধু সেতু। যমুনা সেতু স্থাপনের জন্য প্রথম উদ্যোগ নেয়া হয় ১৯৪৯ সালে। মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী প্রথম এ উদ্যোগ নেন। কিন্তু তখন তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। বর্তমান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের চেষ্টায় ১৫ই অক্টোবর ১৯৯৪ সালে এর কাজ শুরু হয় এবং ২৩ শে জুন ১৯৯৮ সালে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। হুন্দাই $৬৯৬ মিলিয়ন ইউ এস ডলারের বিনিমেয় ১৯৯৪ সালে যমুনা বহুমুখী সেতু নির্মানের কাজ হাতে নেয়; এতে মোট ব্যয়ভারের $২০০ মিলিয়ন ১% নামেমাত্র ইন্টারেস্টে IDA, ADB, OECD বহন করে এবং বাকী $৯৬ মিলিয়ন বাংলাদেশ সরকার বহন করে।

 

 

তথ্যসুত্রঃ উইকিপিডিয়া।

 

 

About islamamirul

Check Also

জিনজিরা প্রাসাদ

যারা পূরাতন ইতিহাস জানতে এবং ঐতিহাসিক স্থান ভ্রমণ করতে ভালবাসেন তাদের এমন একটি জায়গা নিয়ে …