Home / সর্বশেষ / ভূঞাপুরে স্বামীর হাতে স্ত্রী নির্যাতন; অবশেষ ফাসি; শ্বাশুরি গ্রেফতার

ভূঞাপুরে স্বামীর হাতে স্ত্রী নির্যাতন; অবশেষ ফাসি; শ্বাশুরি গ্রেফতার

sdfgfhgjy

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে এক পাষান্ড স্বামী ও তার শ্বাশুরির হাতে দীর্ঘদিন ধরে থেমে থেমে নির্যাতনের শিকার করে অবশেষে মিনা বেগমকে আজ রবিবার শেষ রাতে তার নিজের মেয়ের ওড়না দিয়ে আমগাছের ডালে ফাসিতে ঝুলিয়ে রেখে দিল তার পাষান্ড স্বামী শাহিন হোসেন। এবং তারপর থেকেই পলাতক শাহিন।

জানা যায়, উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের চর কয়েড়া গ্রামের হাশেম আলীর ছেলে শাহিন হোসেনের (৪০) এর সাথে পাশের এলাকা বিলচাপড়া গ্রামের মৃত মোয়াজ্জেম আলীর মেয়ে মিনা (৩০) এর সাথে বিয়ে হয়।

স্থীনীয়রা অভিযোগ করে প্রতিবেদককে জানান, শাহিন ও মিনার এক ছেলে ও এক মেয়ে আছে। রনি (১৪) শারমিন আক্তার শাবানা (১০)। শাহিন ও তার মা সখিরন বেগম মিনাকে বিয়ের কয়েক বছর যেতে না যেতেই অমানবিক শারীরিকভাবে নির্মমভাবে প্রায়ই নির্যাতন করত। আরো অভিযোগ করে বলেন, শুধু তাই না এ নির্যাতন ও অত্যাচার বন্ধে গ্রামের মাতাব্বর ও লোকজন ছেলে পক্ষ থেকে লিখিত স্বাক্ষর নেন। যাতে এ ঘটনা আর না ঘটে। কিন্তু নির্যাতন বন্ধের কিছুদিন পার হতে না হতেই তাদের মাঝে আবার সেই আগের মতই নির্যাতন ক্রমশেই বাড়তে থাকে। এক পর্যায়ে স্বামীর হাতেই প্রাণ দিতে হয় মিনাকে।

এ ঘটনার মিনার ছেলে রনি জানান, শনিবার রাতে চর কয়েড়া বিলে এক পানি সেচের ঘরে আমাকে ঘুম পাড়িয়ে কোথায় যেন চলে গেল আর আব্বুর দেখা পেলাম না সেই রাতে। অবশেষে সকালে লোকজনের কাছে শুনি যে আমার মাকে আমার আব্বু মেরে আম গাছে ঝুলিয়ে রেখেছে। দৌড়ে এসে বাড়িতে দেখি ঘটনা সত্যে। এবং মিনার মেয়ে শারমিন জানান, গত রাতে আমার মাকে নানাবিধ ভয়ভীতি দেখায় এবং আমাকেও তারপর আমি ঘুমিয়ে পড়ি। শেষ রাতে ঘুম ভাঙ্গলে দেখি মা-বাবা কেউ নেই। কিছুখনপর বাড়ীর উত্তর পাশে দেখি আম গাছের ডালে মা ঝুলে আছে। চিৎকার করার সাথে সাথে লোকজন এসে মাকে দেখে।

এদিকে মিনার শ্বাশুরি ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, ফাসির বিষয়ে আমি কিছুই জানি না যেহেতু আমি বাড়িতে ছিলাম না। প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এলাকাবাসী ও স্থানীয়রা যেসব অভিযোগ করেছে আমাকে নিয়ে এবং আমার ছেলেকে নিয়ে তা মিথ্যা ও সম্পূর্ণ বানোয়াট এবং ভিত্তিহীন।

এ ঘটনায় ভূঞাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা ও এস আই কবির হোসেন বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ টিম লাশটিকে উদ্ধার করি এবং কিছু প্রাথমিক তদন্ত করে লাশটিকে টাঙ্গাইল সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা করা হয় এবং নিহতের শ্বাশুরিকে হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়। এবং পলাতক শাহিনকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

About Ontohin

Check Also

thander

বজ্রপাত কেড়ে নিল ৫ জনের প্রাণ

গত কয়েক দিন ধরেই প্রচুর বৃষ্টি এবং সেই ঝড় হচ্ছে । সাথে বজ্রপাত তো আছেই …