Home / মনের জানালা / মায়াবি এক জাদু

মায়াবি এক জাদু

mayabi jaduআমার এই বোনটাকে নিয়ে আর পারিনা। ও নাকি আমার চেয়েও ২ বছরের বড় কিন্তু ছেলেমানুষী আমার চেয়েও কিছু বেশি করে। প্রায় আধ ঘন্টা যাবত এই সুন্দর বিকালে বসে আছে এখানে, এই বদ্ধ অফিস রুমের ভিতর আর আমাকেও যেতে দিচ্ছেনা। এখানে ও ইংলিশ ক্লাস করে মানে স্পোকেন ইংলিশ, ক্লাসের সময় ক্লাস ঠিক আছে কিন্তু সময় পেলেই এসে স্যারের চেহারা দেখার কি মানে আছে বুঝিনা। চান্স পেলেই চলে আসে আর এসেই বলে, ‘স্যার আজকে না আমি ওই জিনিসটা একদম বুঝিনাই’। আমিও এখানে ক্লাস করেছি আমার এস এস সি পরিক্ষার পর। যাইহোক বসে থাকতে আর ভালো লাগছেনা, উঠে একটু অফিস রুমটা ঘুরে দেখি। পাশের টেবিলে বেশ কিছু বই দেখে এগিয়ে গেলাম, একটা বই হাতে নিতেই চোখ গেল একটা ফাইলের উপর। আরে এতো আমাদেরই ভর্তি ফর্ম এর ফাইল। আশে পাশে কেউ ছিলোনা, ভাবলাম ফাইল্টা একটু উলটে দেখি। একটার পর একটা ফর্ম উল্টাচ্ছিলাম। একদম শেষ ফর্মে এসে চোখ আটকে গেলো। এতো ওই ছেলেটার ফর্ম যাকে আমি গত ৬ মাস ধরে খুজছি। ওই ছেলেটার কথা মনে হতেই আমাদের ক্লাসের দিন গুলোতে ফিরে গেলাম।

প্রথম দিন ক্লাস শুরুর বেশ কিছু আগেই আমি পৌছে গিয়েছিলাম। ক্লাসরুমে গিয়ে বসলাম, এক এক করে আসতে শুরু করলো সবাই। আমি তাকিয়ে দেখতে লাগলাম তাদের আগমন। অনেক গুলো মেয়ের পর একটা ছেলেকে ঢুকতে দেখা গেল, ছেলেটাকে দেখে আমি তাকিয়েই রইলাম। খুব সাধারন একটা ছেলে। সাধারন একটা শার্ট আর একটা জিন্সের প্যান্ট, কাধে একটা ব্যাগ, উশখো খুশখো চুল। দেখে মনেই হচ্ছেনা যে এই ছেলে আর কিছুদিন পরই কলেজ এ যাবে। আমার ঠিক উলটা পাশের একটা চেয়ার টেনে বসলো, ব্যাগটা ডেস্ক এর উপর রেখে হাত আর চোখ দুটোই নিচে নামিয়ে রাখলো। ইস! চোখটাইতো দেখছিলাম, নামালো কেনো কে জানে? এতো সুন্দর চোখ অনেকদিন দেখিনি। মনেহয় কখোনোই দেখিনি। চোখ দুটা খুব বেশি বড় না কিন্তু খুব মায়াবি। উফ আমিতো ভুলেই গেলাম যে আমি ক্লাসে বসে ছিলাম। এরমধ্যে ক্লাসে একজন ভদ্র মহিলা ঢুকল, তিনি নাকি খুব নামি এক লোকের ওয়াইফ। নিজের পরিচয় দিয়ে তিনি আমাদের সবার পরিচয় জানতে শুরু করল। উনার ডানপাশ থেকে শুরু করল, দুইটা ছেলের পরই ওই ছেলেটার পালা আমি খুব আগ্রহ নিয়ে শুনে জানতে পারলাম ছেলেটা কক্সবাজার থেকে এসেছে কিন্তু গলার আওয়াজ এতো কম ছিলো যে শুনতে খুব কস্ট হচ্ছিলো। ছেলেটাকে দেখে অবশ্য বুঝাইযাচ্ছিলো যে সে ঢাকার ছেলে না। পরিচয় পর্ব শেষ হলে ওই মহিলা নানা প্রশ্ন করতে লাগলো, যেই প্রশ্ন আমি আগে কখনোই শুনিনি। আমাদের ওই ক্লাসে ঢাকার খুব নামি একটা স্কুলের বেশ কিছু মেয়ে ছিলো কিন্তু ওই প্রশ্নের উত্তরগুলো তারাও দিতে পারলো না আর প্রায় সবগুলো প্রশ্নের উত্তরই দিলো ওই সুন্দর চোখের ছেলেটা। তাতে ক্লাসের অন্য সবার মত ওই মহিলাও খুব অবাক হলেন। আমরা কেউ কিছু বলতে পারলামনা, পরে ওই মহিলা নিজেই বললেন যে তিনি খুব অবাক হয়েছেন কারন ঢাকার একটা নামি স্কুলের মেয়েরা যে উত্তরগুলো পারলোনা সেই উত্তরগুলো দিলো কক্সবাজারের এক ছেলে তাও আবার সবগুলো সঠিক। উনি খুব প্রশংসা করলো ছেলেটার। মেয়েগুলোকেও খুব লজ্জা দিলো ওর কথা বলে। ছেলেটাতো ততখনে মনেহয় একদম আকাশেই উঠে গেলো নিজের এতো প্রশংসা শুনে। কেনো যেনো আমিও খুব খুশি হয়েছিলাম। ভালোভাবেই শেষ হলো প্রথম দিনের ক্লাস।
এভাবেই চলছিলো ক্লাস, সপ্তাহে তিন দিন। ক্লাসে যেতাম ক্লাস করতাম আর সাথে ওই মায়াবি চোখের ছেলেটাকেও দেখতাম। কি যেনো ছিলো ওর চোখে, তাকালে তাকিয়েই থাকতে ইচ্ছে হতো। খুব আহামরি কিছু না। ছেলেটাকে দেখে খুব লাজুক মনে হতো। আর একটা জিনিস খুব ভালো লাগতো ওর, স্যার কিছু জিজ্ঞেস করলে অথবা নিজে কিছু বলার জন্য যখন দাড়াতো তখন একটা হাসি দিয়ে মাথা চুলকাতো আর আমরা সবাই হেসে দিতাম। এই জন্য শেষে অবশ্য ওর নাম ই হয়ে গেছিলো এইরকম। কোনো কারনে কেউ ওকে খুজলেই বলতো ওইজে মাথা চুলকায় যে দাঁড়িয়ে ওই ছেলেটা। ক্লাসে সবাই ওকে খুব পছন্দ করতো। কারো সাথেই তেমন কথা বলতোনা, একদম চুপচাপ থাকতো সবসময়। শুধু স্যারের প্রশ্নের উত্তর দিতো কিছু লিখতে বল্লেও খুব ঝটপট লিখতো। সবার আগে হওয়া চাই টাইপ। দেখেই বুঝা যেতো খুব মেধাবি ছাত্র। একদিন ক্লাসে একটা মুভি দেখাবে বলল। কিছুক্ষন দেখেই আর মন দিতে পারলাম না কারন মনতো দুইদিকে একসাথে দেওয়া যায়না, মুভিও ছেড়ে দিলো সাথে চোখের সামনে এক থোকা কাঁচা তেঁতুলও দিয়ে দিলো। কোনটা ছেড়ে কোনটা ধরি অবস্থা। মুভিই দেখবো নাকি যে খুব মনোযোগ দিয়ে মুভি দেখছে তাকে দেখবো? এটাইতো একটা সুযোগ ছিলো ওর দিকে মন দেওয়ার কারন তখন ওর মন মুভিতে ছিলো। মে মাসে আমাদের ক্লাস শুরু হলেও জুন মাস পর্যন্ত আমি ওর সাথে একটা বাক্যও বিনিময় করিনি। কথা বলতে চাইতাম কিন্তু কেনো যেনো বলা হতো না। ক্লাসের আগে পরে ওর কার্যক্রম দেখতাম। মাঝে মাঝেতো গেট দিয়ে বের হয়ে কোন দিকে যায় তাও খেয়াল করেছি। ক্লাসে গিয়েই ওকে খুজতাম। কোনোদিন ক্লাস মিস হলে খুব খারাপ লাগতো। শেষ ক্লাসগুলো আমি করতে পারিনি। এভাবেই শেষ হয়ে গেলো দেখা হওয়ার কারন। মনে মনে ওকে খুব খুজতাম যদি পেয়ে যাই কখোনো রাস্তায়। ভাবতাম রাস্তায়ই খুজে নিবো ওর নাম্বারটা কিন্তু ও হয়তো আমাকে চিন্তেই পারবেনা অথবা বলতেও পারবেনা যে আমি ওকে কিভাবে দেখতাম। ২ মাস ওকে দেখার লোভেই অনেকগুলো ক্লাস করেছি। মাঝে মাঝে চিন্তা করি কি ছিলো ওর মধ্যে যার জন্য আমি ৬ মাস পরও ওই ছেলেকে মনে রেখেছি যার সাথে আমার কখনো কথা হয়নি বা যে কখনো আমাকে খেয়ালই করেনি।

উফ! কি সব বলছি আবোল তাবোল? আমিতো সেই মায়াবি চোখের ছেলেটার ফর্ম দেখছিলাম। ওমা এতো দেখি মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি, এখানেতো ওর ফোন নাম্বারো দেয়া আছে আর ওর একটা ছবি কিন্তু ফোন নাম্বারটা যদি ওর বাবা বা মায়ের হয়। ধুর যা হয় পরে দেখা যাবে আগে নাম্বারটা নিয়ে নেই। এক নিঃশ্বাসে ওর নাম্বারটা মুখস্থ করলাম তারপর পার্স থেকে ফোনটা বের করে নাম্বারটা সেভ করলাম। মুচকি একটা হাসি দিয়ে ওর ছবিটার দিকে তাকালাম ভাবছিলাম ছবিটাও নিয়ে নিবো নাকি কিন্তু তা আর নেওয়া হলোনা। কোনোভাবে ফাইল্টা হাত থেকে রেখে আমার বোনকে বললাম আমার এখনই বাসায় যেতে হবে খুব দরকার। ওর উত্তর এর অপেক্ষা না করেই বের হয়ে আসলাম।

অফিস্ রুম থেকে বের হয়েই বিজয়ী ভঙ্গিতে একটা হাসি দিলাম। কিছুখন উলটা পালটা হাটলাম তারপর রিক্সা খুজতে লাগলাম বাসায় আসার জন্য কিন্তু একটা রিক্সাও যাবেনা। কি যে করি? আমারতো ফোন দেওয়ার জন্য আর দেরি সহ্য হচ্ছেনা। যাক একটা রিক্সাওয়ালার তাও আমার প্রতি দয়া হলো, তিনি আমাকে বাসায় পৌছে দিতে রাজি হলেন। পুরোটা পথ ভাবতে থাকলাম কি বলবো ফোন করে কি দিয়ে শুরু করবো? যদি ওর মা ফোন ধরে অথবা যদি অন্য কেউ ধরে? কি হবে? ভাবতে ভাবতে বাসায় আসলাম। রিক্সা থেকে নেমে কোনো মতে ভাড়াটা দিয়েই সিড়ি দিয়ে দৌড়ে উপরে উঠলাম। পানি খেলাম, দশ মিনিট চুপ করে বসে থেকে ফো্নটা হাতে নিলাম। নাম্বারটা বের করে ডায়াল করেই কেটে দিলাম পর পর দুইবার। চিন্তা করলাম যদি ও ছাড়া অন্য কেউ ফোন ধরে তাহলে বলবো আমি ওর ইংলিশ ক্লাস থেকে ফোন করেছি, ক্লাসের ব্যাপারে ওর সাথে একটু কথা বলতে হবে।

অনেক্ষন ধরে সাহস সঞ্চয় করে ৬ টা ১৮ মিনিটে ফোন দিলাম, তিনটা রিং হওয়ার পর ওপাশ থেকে কেউ একজন হ্যালো বললো কন্ঠে মনেহয় ওই হবে। আমি চুপ, ও আবার হ্যালো বললো। ওর নাম ধরে জিজ্ঞেস করলাম,
আমিঃ আপনি কি সে?
সেঃ হ্যা।
আমিঃ ভালো আছেন?
সেঃ হ্যা।
আমিঃ আমি কি আপনাকে ডিষ্টার্ব করলাম?
সেঃ না, কে আপনি? (তিনটা প্রশ্নের পর তাও জানতে মন চাইলো আমি কে?)
আমিঃ আমাকেতো আপনি চিনবেননা, আপনি বরং আপনার কথা বলুন। কি করছিলেন?
সেঃ টিভি দেখছিলাম।
আমিঃ কোথায় আছেন? ঢাকা নাকি কক্সবাজার?
সেঃ ঢাকা।
আমিঃ আপনার রেজাল্ট কি হয়েছে?
সেঃ এ+।(মনে হচ্ছে একটা রোবোটের সাথে কথা বলছি যা জানতে চাই শুধু তার ই উত্তর দেয়। যেই উৎসাহ নিয়ে ফোন করেছিলাম তা এখন অর্ধেকেরও নিচে চলে এসেছে)
আমিঃ কোন কলেজে ভর্তি হয়েছেন?
সেঃ কক্সবাজার।
আমিঃ এখনতো কলেজ খোলা আপনি ঢাকায় কেনো?(তার মিথ্যা বুঝতে পেরে।)
সেঃ বেড়াতে এসেছি মামার বাসায়।
আমিঃ কলেজ বাদ দিয়ে এই সময় আপনি বেড়াতে এসেছেন?
সেঃ না আমি আসলে ঢাকাতেই ভর্তি হয়েছি।(আর কিছু খুজে না পেয়ে। আমি খুব অবাক হলাম সে জানতেও চাইলনা আমি কে, কোথায় তার নাম্বার পেয়েছি বা কেনো ফোন করেছি? কিছুটা হতাশই হলাম।)
আমিঃ ঠিক আছে আপনাকে খুব বিরক্ত করলাম, এখন রাখি পরে আবার ফোন দিবো।
সেঃ ঠিক আছে।

রেখে দিলো। আজকালকার ছেলেদের এতো ভাব হবে আগে বুঝিনি। কারন এটাই ছিলো কোনো ছেলেকে নিজ থেকে আমার প্রথম ফোন দেয়া। মনে মনে খুব রাগ হলো, ঠিক করলাম আর কখোনোই ফোন দিবোনা এই ভাবওয়ালা ছেলেকে। ছেলেটাকে আমার মোটেও নরমাল মনে হলোনা, কারন সে অন্যদের মতো আমার প্রতি কোনো আগ্রহ দেখালোনা। ১৮ই ডিসেম্বরের সেই সন্ধ্যা গি্যে রাত আসলো ভেবেছিলাম রাতে হয়তো ফোন দিবে কিন্তু দিলোনা। পরের দিনটাও কাটলো। সন্ধায় রান্নাঘরে চা বানাচ্ছিলাম এর ফাকেই ফোনটা বেজে উঠলো। আব্বুকে চা দিয়ে ফোনটা হাতে নিতেই আমি অবাক হয়ে গেলাম। এতো দেখি ভাবওয়ালা মায়াবি চোখের সেই ছেলেটা। ওরে বাবা কি মনে করে আমাকে ফোন দিলো? ফোন রিসিভ করতেই বলে,
সেঃ আচ্ছা আপনার নাম্বারটা আমার রিসিভ কলে পেলাম, আপনিকি আমাকে ফোন দিয়েছিলেন?
আমিঃ জি, দিয়েছিলাম কালকে সন্ধায়। (হায়রে পোলা! ঢং এর আর জায়গা পায়না। কথা বলবি তো বল, এতো কাহিনির কি দরকার?)
সেঃ ও, তাইতো বলি আপনার নাম্বারটা কিভাবে আসলো?

শুরু হলো আজাইরা প্যাচাল। আধা ঘন্টার মধ্যেই তিন বার ফোন দিলো। এই কথা সেই কথা আরও কতো কি? আমাকে বলে কিনা, আপনি ওইদিন রাতে আর ফোন দিলেননা কেনো, আমি রাত তিনটা পর্যন্ত আপনার ফোনের অপেক্ষায় ছিলাম। কি করতে মন চায় তখন? তাহলে যখন ফোনটা দিসিলাম তখন এত ভাব দেখানোর কি দরকার ছিলো? সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত এইভাবেই একটু একটু করে কথা চললো। তারপর থেকে চলেই যাচ্ছে, দিন নেই রাত নেই। কোনো বাধা নিষেধ নেই, যখন যার মনে হয়। কথা শুরু হলে আর থামতে চাইতোনা, কি জানি কি এতো কথা বলতাম? আমাদের সকাল শুরু হতো ফোন দিয়ে, ফোনের আওয়াজেই ঘুম ভাংতো। তারপর কলেজের ফাকে, কোচিং এর ফাকে অথবা রাস্তায় হাটতে হাটতে কথা চলতো। দিন শুরু হতো কথা দিয়ে আর শেষ হতো কথার মধ্যেই। রাতভর মশার কামড় খেয়ে কথা বলতো, শীতের রাতে ঘরের বাইরে দাঁড়িয়ে কাপতে কাপতে কথা বলতো। তবুও কথা বলা চাই। ঘরে যতো মানুষই থাক কথা বলা মিস হতোনা। কতো আজব ছিলাম তখন, সেই কথা এখনো বলি কিন্তু এখন ২মিনিট বলার জন্যও কথা খুজে পাইনা। আগেও আমাদের মিলতোনা তবুও কথা বলা লাগতো আর কোনো ঝগড়াও হতোনা কিন্তু এখন আর মিলেনা। ভালো কথাও শুনতে ভালো লাগেনা। একজন আর একজনের কথায় বিরক্ত হয়ে যাই।

শুনেছি মানুষ সময়ের সাথে বদলায় কিন্তু আমরা কি এতোটা সময় পার করে এসেছি যে এতো বদলে গেছি? খুব চোখে পরে এই পরিবর্তন। মাঝে আমরা খুব খারাপ কিছু সময় পার করেছি, কথা বন্ধ করেছি, ফোন বন্ধ করেছি কিন্তু ভাংতে পারিনি এই সম্পর্ক। আছি দুইজন একসাথে, যতোই আলাদা হতে চাই কিন্তু পারছিনা। এভাবেই কেটে যাচ্ছে। আমার মনে হয় ও খুব বেশি পালটে গেছে আর ও মনে করে আমি পালটে গেছি খুব বেশি কিন্তু আসল সমস্যা হলো কেউ কারো সাথে কথা না বলে একটুও থাকতে পারিনা।

লিখেছেনঃ OcHena ShoPno

About Ashiq Mahmud

Check Also

ভাত, কাপড়, ভালবাসা

( ভুমিকায় বলে নেই, গল্পের বক্তা চরিত্রটির মত আমিও নারীবাদি নই।আমি মানি নিয়তি নারী পুরুষ …